প্রথমবার্তা প্রতিবেদক:     নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন, ‘শয়তান শয়তানি করতে পারে কিন্তু আল্লাহর লগে পারে না, আল্লাহর নেক বান্দার লগে পারে না। ধৈর্য অনেক হইসে। কেন জানি ধৈর্যটা বাইরা গেলো! নিজেও মাঝে মাঝে অবাক হই, আমি শামীম এতো ধৈর্য্য ধরি কেমনে!’ মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় সদর উপজেলার ফতুল্লার পঞ্চবটিতে আকবর টাওয়ারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

 

 

 

 

শামীম ওসমান বলেন, আমাদের কাজ হচ্ছে সুসংঠিত থাকা আর যারা গেম খেলতে চায় তাদের বুঝিয়ে দেওয়া যে, নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের ছিল, আছে, থাকবে।তিনি বলেন, আমি সবকিছু সহ্য করতে পারি কিন্তু আমার কর্মীর গায়ে হাত দেওয়া সহ্য করতে পারি না। আল্লাহর নামে কসম খেয়ে বলতাছি, বিনা কারণে আমার কর্মীর গায়ে হাত দিবা আর পার পাইয়া যাইবা? নাহ!

 

 

 

 

শামীম ওসমান বলেন, ক্ষমতা থাকলে কর্মীর তো অভাব হয় না। সাচ্চা কর্মী তৈরি হইতে অনেক সময় লাগে। আমি আজীবন কর্মী থাকমু। আগেও কর্মী ছিলাম, এখনো আছি, আগামীতেও থাকমু।

 

 

 

এমপি বলেন, আমার কিন্তু মোটামুটি চাওয়া-পাওয়া শেষ। দেশ সামনের দিকে আগাচ্ছে। তিনবার এমপি হইছি। এমপি তো অনেক চোর-চোট্টাও হইছে। এটা আমার চাওয়া না।

 

 

 

 

শামীম ওসমান বলেন, আগামী ৭ সেপ্টেম্বর সব কিছুর জবাব দেওয়া হবে। নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া শহীদ মিনার অথবা আশপাশে সমাবেশটি হবে। যারা নারায়ণগঞ্জকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করে তাদের বিরুদ্ধেই এই সমাবেশ হবে। যাতে এই সমাবেশ দেখে তাদের বুক থর থর করে কাঁপে। ওই সমাবেশে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতি ঘটাতে হবে। যেন সমাবেশ দেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গর্ববোধ করতে পারেন।

 

 

 

 

তিনি আরও বলেন, ২০০৬ সালের ২৬ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জে লাখ লাখ মানুষের সমাবেশ হয়েছিল। সেই দিন রাতে সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ আমাকে গ্রেপ্তার করতে এসেছিল। তখন আপনাদের মতো হাজার হাজার মানুষ খেয়ে না খেয়ে আমাকে ১৭ দিন পাহারা দিয়েছিল। তাই আমি সবাইকে অনুরোধ করব কারো ডাকের অপেক্ষায় না থেকে ৭ তারিখের সমাবেশে যোগ দেবেন।

 

 

 

 

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ মো. বাদল, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ রশীদ, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফুল্লাহ বাদল, সাধারণ সম্পাদক এম শওকত আলী, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রফেসর শিরিন আক্তার, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. নাজিমউদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা মনির প্রমুখ।