প্রথমবার্তা প্রতিবেদক:  রাজধানীতে নতুন করে আর সাধারণ বাস-মিনিবাস (নন-এসি) চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। অনুমোদিত বাসগুলোর ব্যাপারেও নতুন চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। আপাতত এসি বাস সার্ভিস চালুর অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

 

 

 

 

এ বিষয়ে বিআরটিএর চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান বলেন, নন-এসি ও এসি বাসের ভাড়া নির্ধারণে পৃথকভাবে কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে এবং আরও হবে। নতুন করে ঢাকার রাস্তায় নন-এসি বাসের রুট পারমিট দেওয়া হবে না। তবে বিদ্যমান বাস সার্ভিস চলবে। এসি বাসও নামবে। আর ঢাকায় বাস রুট নেটওয়ার্ক হবে। রুটভিত্তিক কোম্পানিতে চলবে বাস।

 

 

 

 

 

বর্তমানে এসি বাস চলছে সরকারি নীতিমালা ছাড়াই। নেই তাদের সরকারনির্ধারিত ভাড়ার হার। ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় নিয়ে বাকবিতন্ডা হচ্ছে। সরকারের ব্যয়-বিশ্লেষণ কমিটি এখনো এসি বাসের ভাড়া নির্ধারণ করতে পারেনি। এর কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গাড়ির দাম ও মানের বিবেচনায় এসি বাসের ক্যাটাগরি ভিন্ন। এক গাড়ি দাম ৭০ লাখ তো আরেকটির দাম এক কোটি টাকা। ভাড়া নির্ধারণে ২১টি বিষয় বিশ্লেষণ করার কথা।

 

 

 

 

 

জানা গেছে, রাজধানী ঢাকায় কী পরিমাণ গাড়ি কোন রুটে চলবে তা নির্ধারণ করে ঢাকা মেট্রোপলিটন রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট কমিটি (আরটিসি)। আরটিসির সর্বশেষ সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে ঢাকা মহানগরীতে নন-এসি বাস রুটের পারমিট প্রদান বন্ধ থাকবে। বর্তমানে ৩৬৬টি রুটে ৬৩৮৯টি বাস ও ২৬২৮টি মিনিবাস চলাচল করছে।

 

 

 

 

যানজটের কারণে ট্রিপের ঘাটতি এর বড় কারণ। এ ছাড়া চলাচলের জন্য তিন ধাপে চাঁদা দিতে হয়। অনেক কোম্পানি তাদের বাসের রুট পারমিটের মেয়াদ আবেদন করে বাড়িয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে নতুন করে নন-এসি বাসের অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সর্বশেষ আরটিসির বৈঠকে এ সংক্রান্ত অনেক প্রস্তাব নাকচ করা হয়।

 

 

 

 

 

আরটিসির সর্বশেষ সভায় বলা হয়, নতুন করে আর গাড়ি নামতে দেওয়া হবে না। ঢাকা শহরের যাতায়াত ব্যবস্থা সচল রাখার স্বার্থে রুট পারমিটবিহীন গাড়ির রুট পারমিট পেতে আবেদন করে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। সমিতির পক্ষ থেকে গাড়ির তালিকাসহ আবেদন পাঠায় আরটিসির কাছে।

 

 

 

 

 

ওই তালিকায় ৮৩ রুটে ২৯৬৫টি গাড়ির রুট পারমিট না থাকার কথা জানা যায়। পরিবহন নেতারা এসব গাড়ির পারমিট পেতে অনুরোধ করে। পরে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ও মেট্রো আরটিসির উপকমিটি গাড়িগুলোর কাগজ যাচাই-বাছাই করে ৭১টি রুটে ১৬৯৯টি গাড়ির রুট পারমিটের সুপারিশ করে। এসব গাড়ি ২০১৩ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন করা।