প্রথমবার্তা প্রতিবেদক:  সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মুহম্মদ বিন সালমান তার বিরোধীদের আটক করতে জেদ্দায় নিজের প্রাসদের অভ্যন্তরে গোপন কারাগার বানাচ্ছেন। আরবী নিউজ ওয়েবসাইট আল-আহদ আল-জাদিদ এ খবর দিয়ে বলেছে, আল-সালাম রাজপ্রাসাদে এধরনের গোপন কারাগার তৈরি করা হচ্ছে। কারাগারটি হবে ১০তলা। এতে নির্জন কক্ষ ছাড়াও বেশকিছু সম্পূর্ণ অন্ধকার কক্ষ থাকবে।

 

 

 

 

এর আগে সৌদি আরবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করার পর আটক শতাধিক ব্যক্তিকে রিৎজ-কার্লটন হোটেলে রাখায় বাণিজ্যিকভাবে প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দেশটির পর্যটন ব্যবসার ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ভবিষ্যতে এধরনের ঘটনা এড়াতে গোপন কারাগার বানানো হচ্ছে। আরব মিডিয়াটি ওই প্রতিবেদনে আরো বলেছে গোপন কারাগারে আটক ব্যক্তিগের জিজ্ঞাসাবাদ ও শাস্তির বিষয়টি ক্রাউন প্রিন্স বিন সালমান নিজেই তদারকি করবেন। তবে আল-আহদ আল-জাদিদের এ প্রতিবেদনের বিষয়ে অন্য কোনো সূত্র থেকে এর সত্যতা পাওয়া যায়নি।

 

 

 

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এর আগে দুর্নীতি দমন অভিযানে আটক ব্যক্তিদের অনেকের মুক্তি হলেও এখনো অনেক ধনাঢ্য ব্যক্তি আটক রয়েছেন। এদের মধ্যে বিন সালমানের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে সৌদি রাজপরিবারের অনেক সদস্য রয়েছেন। প্রিন্স তুর্কি বিন আব্দুল্লাহ ও সাবেক অর্থমন্ত্রী আদেল ফাকেই এদের অন্যতম। এর মধ্যে সাবেক অর্থমন্ত্রী আদেল সৌদি সংস্কারের অন্যতম প্রধান রুপকার ছিলেন। আটকদের অনেকেই আল-হায়ের কারাগারে আটক রয়েছে। জেদ্দার দক্ষিণে এ কারাগারটিতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে এবং এ কারাগারটিতে অনেক জঙ্গি ও সরকার বিরোধী এবং সমালোচকদের আটক রাখা হয়েছে।

 

 

 

 

গত বছরের শুরুতে সৌদি এটর্নি জেনারেল জানান, ৫৬ জন ব্যক্তি কারাগারে আটক রয়েছেন যাদের কারো কারো বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। আটকদের অনেকে রিয়েল এস্টেট, অন্যান্য ব্যবসা ও নিরাপত্তার বাহিনীর উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা বলে জানান তিনি। দুর্নীতি দমন অভিযানের লক্ষ্য ছিল এদের অবৈধ আয়ের ১০৬ বিলিয়ন ডলার উদ্ধার করা