10 / 100 SEO Score

প্রথমবার্তা প্রতিবেদক: সউদী আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর মালিকানাধীন বড় দুটি তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও । শনিবার রাতে টুইট বার্তায় তিনি বলেন, সউদী তেল স্থাপনাগুলোতে ইয়েমেনের ড্রোন হামলার পেছনে তেহরানের হাত ছিল। গত শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সউদি আরবের আবকাইক ও খুরাইস তেল স্থাপনায় হামলার পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তবে পম্পেওর ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে হুথি বিদ্রোহীরা।

 

 

 

 

২০১৫ সালের মার্চ থেকে ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে সউদি আরবের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট। ওই লড়াই শুরুর পর থেকে সউদি আরবে বেশ কয়েক বার হামলা চালানোর কথা স্বীকার করেছে হুথি বিদ্রোহীরা। ইরানের সংবাদমাধ্যম পার্সটুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সউদির ওই তেল স্থাপনাগুলোতে হামলার দায় স্বীকার করেছে ইয়েমেনের সেনাবাহিনী ও গণ কমিটি। তাদের ঘোষণায় বলা হয়, সউদি আরবের জাতীয় তেল কোম্পানি আরামকো পরিচালিত ‘বাকিক’ ও ‘খারিস’ তেল শোধনাগারে ১০টি পাইলটবিহীন বিমান বা ড্রোনের সাহায্যে এ হামলা চালানো হয়েছে।

 

 

 

 

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রুহানি (ইরানের প্রেসিডেন্ট) ও জারিফ (দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী) দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কে জড়িত থাকার ভান করা সত্তে¡ও সউদি আরবে প্রায় ১০০ হামলার পেছনে তেহরান জড়িত। উত্তেজনা হ্রাসের সব আহ্বানের মধ্যেও ইরান এখন বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহে অভূতপূর্ব আক্রমণ শুরু করেছে।’

 

 

 

 

 

ইয়েমেনের কর্মকর্তারা পম্পেওর ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, দেশটির সেনাবাহিনীর সামরিক শক্তি সম্পূর্ণ নিজস্ব সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে ও সউদি শাসকদের অবরোধ সত্তে¡ও এ সক্ষমতা দিন দিন বাড়ছে।

 

 

 

 

সরকারি সউদি প্রেস এজেন্সি জানিয়েছে, শনিবার স্থানীয় সময় ভোর চারটায় আবকাইক ও খুরাইসে তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার কারণে সৃষ্ট আগুন নিয়ন্ত্রণ করেছে আরামকোর শিল্প নিরাপত্তা দল। ওই হামলার পর ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে জানান, ইয়েমেনের ওপর পাঁচ বছরের আগ্রাসন ও অবরোধের যে জবাব দেয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ বৈধ ও স্বাভাবিক।