11 / 100 SEO Score

প্রথমবার্তা প্রতিবেদক:  আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়কমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বললেন, “ঢাকাকে ক্যাসিনোর শহর বানিয়েছে বিএনপি। তাদের সময় এই ক্যাসিনোগুলো ছিল। সে ক্যাসিনোর ব্যাপারে অ্যাকশন তো নেওয়া হচ্ছে।”

 

 

 

 

রাজনীতিবিদদের কথা একই সঙ্গে দুর্বোধ্য আর ভীষণ অনুমানযোগ্য৷ যুবলীগের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর পর ক্যাসিনো আবিস্কার হয়ে গেল অথচ এর সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া গেল না, আমরা আম জনতা মোটামুটি অস্থির হয়ে উঠছিলাম৷ অবশেষে জানা গেলো গ্রেপ্তারকৃত এক যুবলীগ নেতা আগে ফ্রিডম পার্টি করতেন আরেকজন করতেন যুবদল৷ তবে সবার সেরা কথাটি এলো ওবায়দুল কাদেরের কাছ থেকে৷শুক্রবার ধানমণ্ডিতে দলীয় সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

 

 

 

 

 

ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম জানাচ্ছে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলছেন, “সরকারের প্রথম বছরেই কিন্তু অ্যাকশন নেওয়া হয়েছে। সময়তো এখন ফুরিয়ে যায়নি। এমন তো নয় যে, ইলেকশনকে সামনে রেখে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। প্রথম ৮-৯ মাসেই এসব ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে।”

 

 

 

 

 

অভিযানে আলোচনায় ক্যাসিনো:   সিরিয়াসলি জনাব কাদের? এটি সরকারের প্রথম বছর? এর আগের দুই মেয়াদে কোন সরকার ক্ষমতায় ছিল? বিএনপি ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পর দুই বছর মেয়াদি তদারক সরকার আর দুই মেয়াদের আওয়ামী লীগ সরকার বাদ দিলে এটা পরপর তৃতীয় মেয়াদের আওয়ামী লীগ সরকারের প্রথম বছর৷ তবুও সব দায় বিএনপিকে নিতে হবে৷ আপনার কথায় কী এরকম মনে হয় না যে, বিএনপি সরকার ক্যাসিনোর শহর প্রতিষ্ঠা করেছিল বলে গত দুই মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকার তা ভাঙতে পারেনি!

 

 

 

 

 

গণমাধ্যম মারফরত জানলাম, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ছাত্রলীগের পর যুবলীগকে ধরা হয়েছে, ধরা হচ্ছে, কেউই ছাড় পাবে না৷ ভালো কথা৷ আমরা প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানকে স্বাগত জানাই৷ পুলিশের কর্তাব্যক্তিদের কাছ থেকেও আমরা একই সুর পাচ্ছি৷ আমার বিস্ময় সেখানেও৷ পুলিশ কেন এতোদিনে একথা জানতে পারেনি বা প্রধানমন্ত্রীকে জানায়নি? সরকারপ্রধান কী তাদের কাছে এইসব কর্তব্য অবহেলার জবাবদিহি করবেন?

 

 

 

 

 

বৃহষ্পতিবার ডয়চে ভেলের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে মতিঝিল থানার ওসি বলেছেন, ক্যাসিনো বুঝি না কিন্তু ক্লাবগুলো চলে জুয়ার টাকায় এটা সবাই জানে৷ একথা কিন্তু সত্যি৷ হাউজি বা জুয়া ক্লাবগুলোতে খেলা হয় বা হচ্ছে এটা প্রায় সকলেই জানে৷

 

 

 

 

 

 

মানলাম তিনি ঠিক কথা বলেছেন৷ কিন্তু আইন-শৃঙ্খলার জিম্মাদার হিসেবে কোন তথ্যটি পুলিশের কাছে নতুন? কেউ না কেউ ক্যাসিনো বা জুয়া পরিচালন করে নাকি এগুলো পরিচালন করে যুবলীগের নেতারা? কেন তারা এতদিন ব্যবস্থা নেন নাই?আমরা কী একটি শ্বেতপত্রের দাবি করতে পারি, এতদিন পুলিশ বাহিনীর সদস্যেরা টাকা নাকি চাপের বশ ছিলেন?