6 / 100 SEO Score

প্রথমবার্তা প্রতিবেদক:  সৌদি আরবে বিশ্বের বৃহত্তম তেল কোম্পানি আরামকোর দুটি স্থাপনায় ড্রোন হামলার পর দেশটির সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক আরো জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ২০০ সেনা, ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও অতিরিক্ত রাডার সরঞ্জাম সৌদি আরবে মোতায়েন করবে ওয়াশিংটন। খবর মিডল ইস্ট মনিটরের।

 

 

 

 

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফসের চেয়ারম্যান জেনারেল জো ডানফর্ড ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার সৌদি আরবে অতিরিক্ত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।জানা গেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছে।

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার সৌদি আরবে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জনাথন হফম্যান। তিনি বলেন, আমাদের আঞ্চলিক অংশীদার ও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতার জন্য আমাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

 

 

 

 

 

তবে পেন্টাগন মুখপাত্র অতিরিক্ত সেনা ও সমরাস্ত্র মোতায়েনের বিস্তারিত কিছুই জানাননি। মধ্যপ্রাচ্যের অন্য স্থান থেকে সৌদি আরবে সেনা পাঠানো হবে নাকি যুক্তরাষ্ট্র থেকে নতুন করে মোতায়েন করা হবে, এ বিষয়টিও পরিষ্কার করা হয়নি।এ বছরের গ্রীষ্মে সৌদি তেল ট্যাংকারে হামলার পর সেখানে ৫০০ সেনা মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

 

 

 

 

প্রসঙ্গত, ১৪ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর দুটি বৃহৎ তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালানো হয়। ওই হামলার পর সৌদি আরবের তেল উৎপাদন অর্ধেকে নেমে আসে।

 

 

 

 

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করছেন শুরু থেকে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করে হামলার নেপথ্যে ইরান জড়িত রয়েছে বলে দাবি উত্থাপন করা হয়।যদিও হামলার পর ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিরা দায় স্বীকার করেছে। তবে হামলার অভিযোগ ইরান অস্বীকার করে আসছে।