6 / 100 SEO Score

প্রথমবার্তা প্রতিবেদক: ঢালিউডের নায়িকা অপু বিশ্বাস নিজেই জানিয়েছিলেন যে তিনি নিয়মিত নামাজ পড়েন, রোজা রাখেন এবং এগুলো কেউ তাকে শেখায়নি, বরং তিনি নিজেই এগুলো শিখে নিচ্ছেন।

 

 

 

 

তাছাড়া শাকিব খানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বলেছিলেন, ‘আমি একজন সনাতন ধর্মের মেয়ে ছিলাম। কিন্তু শাকিব খানকে বিয়ে করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। এখন ডিভোর্সের পর আমার যদি অপশন থাকতো তাহলে হয়তো আমি আবার সনাতন ধর্মে ফিরে যেতাম। আমার সন্তান এখন আমার সবচেয়ে বড় অপশন। তাই আমি আমার ছেলের জন্য ইসলাম ধর্মই পালন করবো।’

 

 

 

 

 

তবে এবার জানালেন নতুন তথ্য। নিজেকে নাকি মনেপ্রাণে হিন্দু ধর্মের অনুসারী মনে করেন তিনি। এমনকি নিজের সন্তানকেও হিন্দুরীতিতে বড় করার আভাস দিয়েছেন অপু বিশ্বাস।

 

 

 

 

 

 

ধর্মান্তরিত হওয়ার বিষয়ে অপু বলেন, ‘ধর্ম চেঞ্জ করতে হলে খাতা, বিভিন্ন নথিতে করতে হয়। আমার কোথাও আমার ধর্মের পরিবর্তনের উল্লেখ নেই। তবে এটা সত্য যে আমি নামাজ, রোজা করেছি।’

 

 

 

 

অপু আরও বলেন, ‘প্রত্যেক ধর্মের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও সম্মান বিরাজমান। যখন সম্পর্ক ছিল শাকিবের সঙ্গে যখন সংসার করেছি তখন ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী চলেছি। এছাড়া আমার নিজের ধর্মের কাজও করেছি। তবে আমি হিন্দু ধর্মের হওয়ার কারণে গরুর মাংস খাইনি। এখন যেহেতু শাকিবের সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই তাই আমি আমার ধর্মের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।’

 

 

 

 

 

সর্বস্তরের মানুষের প্রশ্ন শাকিব খানের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার সময় অপু বিশ্বাস সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেন। তখন অপু বিশ্বাস নাম পরিবর্তন করে অপু ইসলাম নাম ধারণ করে বলে নিজেই জানান। ছেলেরও মুসলিম নাম রাখেন আব্রাম খান জয়।

 

 

 

 

 

নামাজ, রোজা করছেন এবং হজ্ব পালন করবেন বলেও জানান। কিন্তু এখন আবার ধর্ম নিয়ে নাটক করা মানে উভয় ধর্মকেই খাটো করা। যা কারও উচিত নয়। অপু বিশ্বাসের নতুন করে এই মন্তব্যের পর ফের বিভিন্ন মহলে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।