প্রথমবার্তা, রিপোর্ট:   বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে এ প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়।সোমবার দুপুরে তিনি জানান, এ ঘটনায় ছাত্রলীগের চার জনকে আটক করা হয়েছে। আবরার হত্যায় জড়িতরা যে পরিচয়-ই বহন করুক না কেউ রেহাই বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

 

 

 

 

রোববার দিবাগত রাত ৩ টার দিকে বুয়েটের শের-ই বাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে পিটিয়ে হত্যা করা হয় আবরারকে। ওই হলে থাকতেন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেত। সোমবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে শেরে বাংলা হলের ওই কক্ষ পরিদর্শন শেষে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় বলেন, ‘আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পেয়েছি। এটি যে হত্যাকাণ্ড সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। সিসিটিভি ফুটেজ আমাদের কাছে রয়েছে। ইতোমধ্যে দু’জনকে আটক করা হয়েছে। তারা হলের শিক্ষার্থী। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’

 

 

 

 

 

 

আটক ছাত্রলীগ নেতারা হলেন- বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি মুস্তাকিম ফুয়াদ, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাউল ইসলাম জিওন এবং তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার। এছাড়া হলের অনেক শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।এদিকে, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ঢামেকের ফরেনসিক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ লাশের ময়নাতদন্ত করেন। ময়নাতদন্ত শেষে তিনি বলেন, ‘ছেলেটিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’

 

 

 

 

ময়নাতদন্তে আবরারের দেহে জখমের অনেক চিহ্ন িপাওয়া গেছে বলে জানান ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক সোহেল মাহমুদ।রোববার দিনগত রাত তিনটার দিকে বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলের সিঁড়ির পাশে ফাহাদের দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে ডাক্তারকে খবর দিলে তিনি এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।এ ঘটনায় বুয়েটের শিক্ষার্থী বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল ও সহসভাপতি সম্পাদক ফুয়াদ হোসেনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চকবাজার থানায় নেয়া হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

আবরার ফাহাদ বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি কুষ্টিয়া শহরে।রোববার দিনগত রাতে তাকে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষের ভেতর পিটিয়ে হত্যা করা হয়। কক্ষটিতে ছাত্রলীগের নেতারা থাকতেন। তারা সবাই এখন পলাতক।হলের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেলের অনুসারী একদল নেতাকর্মী তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

 

 

 

 

 

হল শাখা ছাত্রলীগ সূত্রে জানা গেছে, ফাহাদকে জেরা ও পেটানোর সময় ওই কক্ষে অমিত সাহা, মুজতাবা রাফিদ, ইফতি মোশারফ ওরফে সকালসহ তৃতীয় বর্ষের আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী ছিলেন।ওই কক্ষে এসে দ্বিতীয় দফায় ফাহাদকে পেটান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অনিক সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক ও নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একই বর্ষের মেফতাহুল ইসলাম জিয়নসহ কয়েকজন। তারা সবাই মেহেদী হাসান রাসেলের অনুসারী।

এই বিভাগের আরো খবর :

ফোনালাপ ফাঁস: খন্দকার মোশাররফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ
ভারতীয় সেনাবাহিনীর উচিৎ বাংলাদেশের একাংশ দখল করা: হিন্দু নেতা
রাজধানীতে রহস্যময় হেরেমখানা ও ৮ রক্ষিতা
জীবন-মরণ সন্ধিক্ষণে এন্ড্রু কিশোর সংবাদটি ভুয়া, এখন কেমন আছেন তিনি?
মেয়েটিকে লাথি মেরে ফেলে দিল ছেলেটি! (ভিডিও)
‘খালেদার মুক্তি আইনি বিষয়, সরকারের কোনো হাত নেই’
আলমগীর নির্বাচন কমিশনে নতুন সচিব....
উপসচিব পদে ৩৯১ কর্মকর্তার পদোন্নতি
এই ছোট বোনটাকে ক্ষমা করে দিয়েন সবাই: জারিন দিয়া
রাজনীতি ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা
প্রধান নির্বাচন কমিশনার তামাশার নির্বাচন আয়োজন করেছেন -রাজশাহী বিএনপির
যেসব লক্ষণে বুঝবেন শিশুর নিউমোনিয়া, কী করবেন?
স্বামীকে স্ত্রী বললো, তোমার কাছে আমার একটা জিনিস চাওয়ার আছে, একটি বাস্তব..
‘অস্তিত্ব সংকটে পড়বে মধ্যপ্রাচ্য পরমাণু চুক্তি ব্যর্থ হলে ’
রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৮৩