10 / 100 SEO Score

প্রথমবার্তা, রিপোর্ট:  ভয়াবহ প্রাণীটিকে মারতে একপ্রকার হুলিয়া জারি করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। দেখলেই শেষ করে দেওয়ার হুমকি। কারণ সে খুনি। তবে মানুষ নয়। এই অপরাধী হলো মাছ।

 

 

 

 

 

শুরুতে পালন করার জন্য সাড়ম্বরে ছাড়া হয়েছিল জলাশয়ে। ইদানিং সেই প্রাণীই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিরপীড়া হয়ে দেখা দিয়েছে। এর নাম, ‘স্নেকহেড ফিস। আসলে এই রাক্ষুসে মাছ যে জলাশয়ে থাকে সব প্রাণীকে শেষ করে দেয়।

 

 

 

 

 

আতঙ্কের এখানেই শেষ নয়। এই রাক্ষুসে মাছ জল ছাড়াও বাঁচতে পারে। কারণ নিজেদের শরীরে অতিরিক্ত অক্সিজেন জমা রাখতে পারে ‘স্নেকহেড ফিস’।

 

 

 

 

 

জানা গেছে, স্নেকহেড নিয়ে এতোটা উদ্বেগের কারণ এই মাছ বছরে দশ হাজার পর্যন্ত ডিম দেয়। ফলে এদের বংশবিস্তারও ভীষণ দ্রুত হয়। প্রায় এক দশক আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম এই মাছের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়।

 

 

 

 

 

 

এরপর থেকে এখনও পর্যন্ত চার জাতের স্নেকহেডকে আমেরিকায় শনাক্ত করা গিয়েছে। উত্তরাঞ্চলীয় স্নেকহেড মাছ দেখতে লম্বাটে ও চিকন। এর মাথা দেখতে অদ্ভুত রকম চ্যাপ্টা।

 

 

 

 

 

এটি নিপুণ শিকারি প্রাণী এবং এর খিদেও অফুরন্ত। প্রায় ৮০ সেন্টিমিটার লম্বা। স্থলপথেও এক জায়গা পরা করে পাশের জলাশয়ে দিব্যি পৌঁছে যায়।

 

 

 

 

 

যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব ন্যাচারাল রিসোর্স (ডিএনপি)-এর কর্মকর্তারা দেশজুড়ে এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক-এর পক্ষ থেকে রাক্ষুসে এই প্রাণীটিকে নিয়ে গবেষণা শুরু হয়েছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফিশজিলা’।