6 / 100 SEO Score

প্রথমবার্তা, রিপোর্ট:  অর্ধযুগ আগে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ম্যাচ ফিক্সিং করে দেশ ও ক্রিকেটের গায়ে কালিমা লেপন করেছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। দীর্ঘ ৫ বছর সাজা ভোগ করার পর তিনি মুক্তি পেয়েছেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেছে আরও আগেই। এদিকে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব ফাঁস না করায় সম্প্রতি দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা (এক বছর স্থগিত) পেয়েছেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

 

 

 

 

 

সাকিবের ঘটনা নিজের সঙ্গে মেলাতে নারাজ অ্যাশ।২০১৩ সালের বিপিএলের ওই ফিক্সিং ধরা পড়ার পর তদন্তে বেরিয়ে আসে যে, জাতীয় দলের অনেক ম্যাচেও জুয়াড়িদের প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে তাদের ইচ্ছেমতো খেলেছেন আশরাফুল।

 

 

 

 

 

দেশের সঙ্গে তিনি বেঈমানী করেছেন; যা মারাত্মক অপরাধ। একই অপরাধ করে পাকিস্তানের মোহাম্মদ আসিফ, মোহাম্মদ আমিররা জেলে গিয়েছিলেন। আশরাফুলের সৌভাগ্য, বাংলাদেশে এমন কোনো আইন নেই। কিন্তু সাকিব তা করেননি।

 

 

 

 

 

তিনি তিনবার জুয়াড়ির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন, তবে অপরাধ হলো আইসিসিকে না জানানো।অনেকেই এই দুটি ঘটনা মেলানোর চেষ্টা করছেন। তবে আশরাফুল স্বয়ং এর সঙ্গে একমত নন। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুজনের ঘটনা সম্পূর্ণ আলাদা।

 

 

 

 

 

 

 

সে শুধুমাত্র ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পাওয়ার ব্যাপারটি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানায়নি; আর আমি তো পুরোপুরিভাবে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে যুক্ত ছিলাম। সাকিবের ব্যাপারটি আমাকে খুব নাড়া দিয়েছে। আমরা ক্রিকেট খেলতে ভালোবাসি। সাকিবের মনে যে এখন কী চলছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।’