6 / 100 SEO Score

প্রথমবার্তা, রিপোর্ট: ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াংকা গান্ধী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এবং এনসিপি নেতা প্রফুল্ল প্যাটেলের ফোন হ্যাক করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।বিরোধী দল কংগ্রেসের দাবি, ইসরাইলের হাতে হাত মিলিয়ে বিরোধী নেতাদের ফোনে আড়ি পাতছে বিজেপি। কংগ্রেস বলছে, ধরা পড়ে গেছে মোদি সরকার। পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাকিংয়ের সঙ্গে যুক্ত মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানায় তারা।

 

 

 

 

 

মমতা বলেন, ‘আমার ফোনের কথাও আড়ি পেতে কেউ শুনছে।’ ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ১২১ জন ভারতীয়র ওপর হোয়াটসঅ্যাপে নজরদারি চালানো হচ্ছে। খবর এনডিটিভির।

 

 

 

 

 

ভারতের লোকসভা নির্বাচনের সময় সাংবাদিক, আইনজীবী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতাদের হোয়াটসঅ্যাপে নজরদারি চালায় ইসরাইলি সংস্থা। বিষয়টি গত সেপ্টেম্বরের শেষদিকে হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষ থেকে জানানোও হয়েছিল।

 

 

বর্তমানে ভারতে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৪০ কোটি, যা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি। ভারত সরকারকে বিষয়টি জানানোর পরেও কেন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি?- এমন প্রশ্ন তুলছে বিরোধী দলগুলো।

 

 

 

 

 

হোয়াটসঅ্যাপ সান ফ্রান্সিসকোর আদালতে মামলা ঠুকে দিতে ইসরাইলি সংস্থা এনএসও জানায়, ‘আমরা শুধু সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত সংস্থাকেই এ পেগাসাস সফ্টওয়্যার দিই।’ সংস্থাটির এ বক্তব্যেই বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ আরও জোরালো হচ্ছে।

 

 

 

 

 

কংগ্রেস নেতা ও আইনজীবী কপিল সিবাল বলেন, ‘ইসরাইলি এনএসও পেগাসাস স্পাইওয়্যার বিক্রি করে শুধু সরকারকে। হোয়াটসঅ্যাপ কোনো উত্তর দেয়ার আগে সরকারকে বলতে হবে, কোন সরকারি বিভাগ পেগাসাস কিনেছে, কারা এ অপারেশন চালিয়েছে, কে নির্দেশ দিয়েছে এ চরবৃত্তির এবং আর কোন কোন জায়গায় এর কোপ পড়েছে।’

 

 

 

 

বিজেপি সরকার ‘ধরা পড়ে গেছে’ এমন দাবি করে কংগ্রেস রোববার এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিবৃতি দাবি করে একের পর এক প্রশ্ন রেখেছে। বিজেপিকে ‘ভারতীয় জাসুস পার্টি’ বলে উল্লেখ করে কংগ্রেস নেতা রণদ্বীপ সুরজেওয়ালা বলেন, সরকার বিষয়টি জানার পরেও মুখে কুলুপ এঁটে ছিল।

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, ‘১২ সেপ্টেম্বর তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফেসবুকের ভাইস-প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করেছিলেন, অথচ তিনি সেই সময়ে এ হ্যাকিংয়ের বিষয়টি নিয়ে কোনো কথা বলেননি- এটা একটা রহস্যজনক নীরবতা।’

 

 

 

 

 

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীও তার ফোনে আড়ি পাতা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন। লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে ফোন ট্যাপিং নিয়ে গুরুতর অভিযোগ করেছিলেন তিনি।

 

 

 

 

 

শনিবার সাংবাদিকদের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এ কোন স্বাধীনতা, যেখানে আমরা কথাও বলতে পারব না। যার সঙ্গেই কথা বলছি, তাই রেকর্ড হচ্ছে। সেই রেকর্ড কেউ শুনছেও। এতদিন হোয়াটসঅ্যাপ নিরাপদ ছিল।