প্রথমবার্তা, রিপোর্ট:       শহীদ কাপুরের পাশে দাঁড়িয়ে ‘আই অ্যাম অ্যা কমপ্ল্যান গার্ল’ বলা ৪ বছরের সেই মেয়েটির কথা মনে আছে? অথবা ‘টারজান’ ছবির সেই মিষ্টি মেয়েটির কথা? বলিউড অভিনেত্রী আয়েশা টাকিয়ার কথা বলা হচ্ছে। সালমান খানের বিপরীতে ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ওয়ান্টেড সিনেমার পর পাঠশালা (২০১০) এবং আপকে লিয়ে হাম (২০১৩) সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। এরপর আর কোনো ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হননি এ অভিনেত্রী।মাত্র চার বছর বয়সে বিনোদন জগতে পা রাখা আয়েশা টাকিয়া বলিউড থেকে কিভাবে ছিটকে গেলেন?

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মূলত ২০০৯ সালে সমাজবাদী পার্টির নেতা আবু আজমির ছেলে ফারহান আজমিকে বিয়ে করার পরই ক্যারিয়ারের মোড় পরিবর্তন করেন আয়েশা। বিয়ের পরে আয়েশার মাত্র দু’টি ছবি মুক্তি পায়। ২০১১ সালের পর থেকে তাকে আর বড় পর্দায় দেখা যায়নি। মাত্র ২৩ বছর বয়সে বিয়ে করার কোনও অনুতাপ নেই নায়িকার। এ কথা নিজেই জানিয়েছেন আয়েশা। তাঁর সারাদিনের একটা বড় অংশ জুড়ে থাকে ছয় বছর বয়সী শিশুপুত্র।ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর, সিনেমায় অভিনয় থেকে দূরে সরে যাওয়ার পরে কিছু টেলিভিশন রিয়েলিটি শো-তেও অংশ নিয়েছিলেন আয়েশা। কিন্তু সেও নামমাত্র। বিয়ের পরে সেভাবে ক্যারিয়ারকে প্রাধান্যই দেননি অতীতের কমপ্ল্যান-গার্ল।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কাজ থেকে দূরে থাকলেও নিয়মিত শরীরচর্চা করেন আয়েশা। কয়েক বছর আগে শোনা গিয়েছিল, তিনি ঠোঁটে অস্ত্রোপচার করিয়েছেন। কিন্তু সেই দাবি উড়িয়ে দেন আয়েশা।কীভাবে সময় কাটে আয়েশার? নিজের ৬ বছরের শিশুপুত্রের সঙ্গে সময় কাটাতে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে আয়েশার। এছাড়া পরিবারের সঙ্গে বেড়াতে যেতে ভালবাসেন আয়েশা। শপিং ডেস্টিনেশের জন্য তার প্রিয় ছুটি কাটানোর জায়গা হল ইতালি, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, লন্ডন এবং মালয়েশিয়া। অভিনেত্রী না হলে তিনি নাকি ট্র্যাভেল শো-এর সঞ্চালক হতেন। রান্না করতে ভালবাসেন না। তবে চায়ের খুব ভক্ত তিনি।আয়েশা টাকিয়ার উল্লেখযোগ্য সিনেমা হলো ওয়ানটেড, পাঠশালা, দিল মাঙ্গে মোর, শাদি নাম্বার ওয়ান, সালাম-ই-ইশক, ফুল অ্যান্ড ফাইনাল, সানডে, দে তালি ইত্যাদি।