ব্যাপক হারে পলিথিন ব্যাগ ব্যবহারের ফলে সৃষ্ট পরিবেশগত বিপর্যয় সম্পর্কে এখন আর কারো দ্বিমত নেই। গোদাগাড়ী উপজেলাসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলার উপজেলা প্রত্যন্ত অঞ্চলে দেদারসে বিক্রি ও ব্যবহার  হচ্ছে।

 

 

পরিবেশ বিজ্ঞানী ও পরিবেশ আন্দোলন কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবী নদ-নদী দূষণ, সামান্য বৃষ্টিতে পানিবদ্ধতা, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ার মত বাস্তব সংকটের  প্রেক্ষাপটে সরকার অবশেষে আইন করে পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করলেও আইনের বাস্তবায়নে সংশ্লিদের ব্যর্থতার কারণে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার বেড়ে চলেছে।

 

 

 

আশির দশক থেকেই দেশের পরিবেশবাদীরা অপচনশীল এবং স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি সৃষ্টিকারী পণ্য হিসেবে পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কাছে জোর দাবী জানিয়ে আসছিল। বিশেষত ১৯৮৮ এবং ১৯৯৮ সালের ভয়াবহ বন্যার পর ঢাকা শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ার জন্য কোটি কোটি পরিত্যক্ত পলিথিন ব্যাগের জমাটবদ্ধতাকে দায়ী করা হয়।

 

 

 

সেই থেকে ঢাকার পানিবদ্ধতা, নদীদূষণসহ পরিবেশগত সংকট মোকাবেলায় পলিথিন ব্যাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে গণ্য হতে শুরু করে। দেশের   প্রতিটি বিভাগীয় ও জেলাশহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে পর্যন্ত পলিথিন ব্যাগের ব্যাপক ব্যবহার পানিদূষণ, মাটিদূষণসহ নানা ধরনের পরিবেশগত হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

 

 

 

বিগত চারদলীয় জোট সরকার ২০০২ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার বন্ধের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। অবৈধভাবে পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন, আমদানী ও বিপণনের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ১০ বছরের সগুস কারাদন্ড, ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দন্ডের বিধান রেখে আইন পাস করা হয়। আর নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রদর্শন, সংরক্ষণ ও গুদামজাত করার অপরাধে ৬ মাসের কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ডে বিধান রাখা হয়।

 

 

 

আশির দশকের আগ পর্যন্ত এদেশের মানুষ চটের ব্যাগ, বেত-বাঁশের ডুলা নিয়ে বাজারে যেত। এখন শহর ও গ্রাম-গঞ্জের প্রায় প্রতিটি মানুষ খালি হাতে বাজারে যায় এবং মাছ, গোশত, চাল-ডাল, চিনিসহ প্রতিটি পণ্যের সাথে এক বা একাধিক পলিথিন ব্যাগ নিয়ে বাড়িতে ফিরে। এসব পলিথিন একবার ব্যবহৃত হওয়ার পর ডাস্টবিনে বা খালে-বিলে নদীতে ফেলে দেয়া হয়। শত বছর মাটির নিচে বা পানিতে থাকলেও পলিথিন পচেনা। পলিথিন ব্যাগ বিক্রি ও ব্যবহার জরুরী ভিক্তিতে বন্ধ করা প্রয়োজন বলে সচেতন মহল মনে করেন। মো: হায়দার আলী, গোদাগাড়ী, রাজশাহী।

এই বিভাগের আরো খবর :

গাজীপুরে বহু পুরুষের সংসার ধ্বংসকারী হাসিনা আক্তার লিজা
কাল দেশে ফিরছেন এরশাদ
এমআরআই করার সময় মেশিনে আটকে গেল মন্ত্রীর পিস্তল, অতঃপর যা হল …
দুর্নীতিবাজদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর শেষ সতর্কবার্তা
পুলিশের ওপর হামলায় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানসহ ৩ জন কারাগারে
বলিউডে বছরের প্রথম বিয়ে
দুধ ও রসুন একসাথে খাওয়ার উপকারিতা
দুই স্বামী রেখে তৃতীয় বিয়ে......
আত্মহত্যার আগে মিতুর সঙ্গে হাতাহাতি হয় ডা. আকাশের
এবার ভারতে বিমানবালাদের নগ্ন করে তল্লাশি!
সুষ্ঠু নির্বাচনই সরকারের লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী
শিক্ষা ঋণ মিলছে নগ্ন সেলফি জমা দিলেই
ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ তুর্কমেনিস্তান
কমলনগরে নিখোঁজ আরও এক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার
দুই দিন বন্ধ থাকার পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারও আমদানি-রপ্তানি শুরু