প্রথমবার্তা,নিজস্ব প্রতিবেদক:    মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য, মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার সাবেক সাংসদ মরহুম আব্দুল জব্বারকে একুশে পদক (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়েছে।

 

 

 

 

 

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আব্দুল জব্বারকে ২০২০ সালের “একুশে পদক” (মরণোওর) এ ভূষিত করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে পিতার প্রাপ্ত একুশে পদক গ্রহণ করেন আব্দুল জব্বারের পুত্র প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-২ আবু জাফর রাজু।

 

 

 

 

পদকপ্রাপ্ত আব্দুল জব্বারের বাড়ি কুলাউড়ার পৌর শহরের আলালপুর এলাকায়। তিনি ১৯৪৫ সালের ১৭ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম আব্দুল মজিদ এবং মাতা মরহুম সমিতা বানু। জাতির এ শ্রেষ্ঠ সন্তান ১৯৯২ সালের ২৮ আগস্ট মাত্র ৪৭ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

 

 

 

 

 

আব্দুল জব্বার ’৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬ এর ছয়-দফা, ’৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭০ এর নির্বাচন ও ’৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও রণাঙ্গণের যোদ্ধা এবং স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।

 

 

 

 

এছাড়া তিনি কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির পাশাপাশি উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। আমৃত্যু বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে, আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য জেল-জুলুম, নির্যাতন উপেক্ষা করে বাংলার গণমানুষের মুক্তির লক্ষ্যে কাজ করেন।

 

 

 

 

 

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর প্রতিবাদ করার কারণে তিনি দুইবার কারাভোগ করেন। প্রথমবার জেল থেকে মুক্তি পেয়ে পুনরায় সক্রিয়ভাবে রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করলে পুনরায় কোরবানী ঈদের রাতে গ্রেপ্তার হন।

 

 

 

 

জেলের অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধুর প্রধান খুনি মেজর নুর অমানুষিক নির্যাতন করে এবং হত্যার জন্য উদ্ধৃত হয়। সেই সময় তৎকালীন সেনা অফিসার এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রদূত প্রয়াত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আমিন আহমেদ চৌধুরী তাঁকে উদ্ধার করেন। ১৯৭৯ সালে মৌলভীবাজার-২ আসনে দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

 

 

 

 

 

এছাড়া ১৯৯০ সালে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তাঁর আট ছেলে ও তিন মেয়ে। এক ছেলে আবু জাফর রাজু প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-২ এর দায়িত্ব পালন করছেন। আরেক ছেলে আসম কামরুল ইসলাম উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।

 

 

 

মরহুম আব্দুল জব্বারের পুত্র উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসম কামরুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আমার পিতা আমৃত্যু সততার সঙ্গে রাজনীতি করে মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন।

 

 

 

 

 

আমার পিতাকে একুশে পদক প্রদান করায় দলীয় সভানেত্রী ও জাতির জনকের কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সরকারের সংশ্লিষ্ট সবাইকে পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

এই বিভাগের আরো খবর :

কুমিল্লা ও চাঁদপুরে বিজিবি মোতায়েন
চিনে মাটির তলা থেকে জেগে উঠল ১০০০ বছরের পুরনো মন্দির
স্টার সিনেপ্লেক্স মিরপুরে
বেনাপোলে ১১ ককটেলসহ আটক ১
কৃষি জমিতে পোকা দমনে গোপালগঞ্জে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আলোর ফাঁদ
ফের যাত্রী নিয়ে উড়বে সুপারসনিক প্লেন
কুরিয়ারের প্যাকেটে এলো নবজাতক
নীলফামারীতে শিশু ধর্ষণকারীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন
বহিরাগত দেখলেই আটক করা হবে: ডিএমপি কমিশনার
মোহাম্মদপুরে ডিএনসিসির আধুনিক গণশৌচাগার উদ্বোধন
যে ৮ কারণে বুঝবেন আপনার স্ত্রী আপনাকে পেয়ে মহাখুশি
‘মোদি আমাকে কুকথা বললে তাকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে হয়’
এই তরুণী এসেছেন মঙ্গল থেকে!
ভালো নির্বাচনের দৃষ্টান্ত নেই ইসির: দুদু
যত সব অঘটন লোকসভা নির্বাচনে....