বয়স্কদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকায় তাদের নিজেদের প্রতি যেমন নিজেদের খেয়াল রাখতে হবে, আবার পরিবারের অন্যদেরও বয়স্কজনদের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে।

 

 

 

বিশেষ করে সারা বিশ্বে নভেল করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) যারা মারা গেছে তাদের সবচেয়ে বেশি হচ্ছে ষাটোর্ধ্ব মানুষ এবং যাদের আগে থেকেই নানান ধরনের রোগ ছিল।

 

 

 

তাই বয়স্কদের মধ্যে যাদের ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ অন্য রোগজনিত জটিলতা রয়েছে তাদের বেশি সতর্ক থাকা জরুরি। এ ক্ষেত্রে তারা বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করা, গরম খাবার ও পানি ব্যবহার করা, নিয়মিত চেকআপ করার ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

 

 

 

 

তবে অন্যান্য সব সাধারণ খাবারই খাওয়া যাবে। জ্বর কাশি গলব্যাথার মতো উপসর্গ দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। যদি করোনাভাইরাস আক্রান্ত দেশগুলো থেকে আগত বা আক্রান্ত কারো সংস্পর্শে না আসে তবে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই।

 

 

 

 

 

এ ছাড়া অন্যদের মতো হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় হাতের বাহু দিয়ে মুখ ঢেকে নেওয়া, টিস্যু বা রুমাল ব্যবহার করা, সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে রাখাসহ অন্যান্য সতর্কতার বিষয়গুলো পালন করা ভালো হবে।

লেখক : প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

এই বিভাগের আরো খবর :

ত্রিশ হাজার ফুট উপরে কি ধাক্কা দিল বিমানকে?
বাংলাদেশকে ডব্লিউএইচও'র ‘রেসপন্স’
ধানমন্ডিতে যাত্রা শুরু করল স্টার সিনেপ্লেক্স
সেঞ্চুরি হলো না হ্যামিল্টন মাসাকাদজার
রাজপথ থেকে ‘বাস উধাও’
মালদ্বীপের বন্ধু দেশের তালিকায় নেই ভারত
পুলিশের সাহায্যে ৫৮ বছরের নতুন বৌকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ঢুকলেন ৭৮ বছরের বর!
মা খুব বাজে বাজে পিক পাঠায়: সেগুলো দেখে আমি…
স্বপ্ন ভাঙল তরুণীর, এইডস রোগীর সঙ্গে প্রেম.....
ফাঁস হচ্ছে মিডিয়ার নোংরা গোপন চিত্র, দেখুন ছবিতে
প্রিয়া সাহার বাসার সামনে অভিনব প্রতিবাদ
দেশ থেকে মাদক নির্মূল করা হবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে.....
মার্কেটে ট্রায়াল দিতে গিয়ে ভাঙলেন ব্রেসলেট, দাম শুনে জ্ঞান হারালেন
সাপে ব্যাঙে ঘনিষ্ঠতা
গায়ের রঙের কারণে কেউ দত্তক নিতে চায়নি নিশাকে