করোনা ভাইরাসের সংক্রমনকে মহামারী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। দৃশ্যমান পরিস্থিতির বিচারে এই মহামারী শব্দটির সঙ্গে একমত পোষণ করছি। তবে করোনা বিষয়টি শেষ বিচারে আমার কাছে কন্সপিরেসি। মোদ্দাকথায় ষড়যন্ত্র। পুঁজির বিশ্বের কৌশলী ভাইরাস যুদ্ধ। যার দুই প্রধান প্রতিপক্ষ যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন।

 

 

 

 

লড়াইয়ের প্রথম অংশে চীন বিপুল ভাবে পর্যুদস্ত। কিন্তু সময়ের পরিক্রেমায় করোনা পরিস্থিতি কৌতুহলী বাঁকবদল করে এখন মূলত আমেরিকা, ব্রিটেন এবং ইউরোপ অভিমুখি। আর করোনা যুদ্ধে রহস্যময় নীরবতায় আছে রাশিয়া। তবে করোনার সুযোগে ওপেক এর সঙ্গে তেল লড়াইও শুরু হয়ে গেছে রাশিয়ার। দরপতন পাল্টা দরপতনের খেলায় কেঁপে উঠেছে বিশ্ব অর্থনীতি।

 

 

 

 

 

তিন মাসের করোনা লড়াইয়ে গত শুক্রবার পরিস্থিতি বিবেচনা করে শুক্রবারই দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  এখন পর্যন্ত সেখানে ৪৭২৭ জন এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রাণ হারিয়েছেন ৯৩ জন। যদিও শুরুতে বেশ খোশ মেজাজেই ছিলেন ট্রাম্প। ইতিমধ্যে  নিজের করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করেছেন তিনি। আতঙ্ককে বিশেষ আমল দেননি তিনি। অথচ তাঁর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রয়োজন নেই বলেও হোয়াইট হাউসের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল।

 

 

 

 

 

কিন্তু তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ সেরে দেশে ফিরেই নোভেল করোনায় আক্রান্ত হন ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত নেস্টর ফোরস্টার এবং সে দেশের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর প্রেস সচিব ফ্যাবিও ওয়াজনগার্টেন। তাতেই টনক নড়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের। নিজে থেকেই ডাক্তারি পরীক্ষা করাতে উদ্যোগী হন তিনি। এদিকে ব্রেক্সিটের মাধ্যমে ইউরোপ থেকে বের হয়ে যাওয়া যুক্তরাজ্যেও করোনা ছড়িয়ে পড়ছে। যদিও সেখানে জরুরী অবস্থা এখনও জারি হয়নি।

 

 

 

 

এ বিষয়ে সাদ ওলসেনের একটি প্রতিবেদন আগুনে ঘি ঢেলেছে। তিনি তার প্রতিবেদনে স্পষ্ট করে বলেছেন, কভিড-১৯-এর জন্ম নর্থ ক্যারোলিনা ইউনিভার্সিটির গবেষণাগারে। ২০১৫ সালে। পাঁচ বছর পর যেটি ছড়িয়েছে চীনের উহান থেকে। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পুরস্কার এডওয়ার্ড মিউরোপ্রাপ্ত সাংবাদিক সাদ ওলসোন। গত ২২ ফেব্রুয়ারি এসএইচসি-০১৪কে আজকের কভিড-১৯ উল্লেখ করে নিজের ওয়েবসাইটে (দ্য সাদ ওলসোন শো) একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। তিনি তার প্রতিবেদনে জানান,  যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (চ্যাপেল হিল) সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. রালফ ব্যারিক ২০১৫ সালের নভেম্বরে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন ‘নেচার মেডিসিনে’।

 

 

 

 

 

 সেখানে তিনি চীনের ঘোড়া বাদুড়ের লালা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে এক ধরনের করোনাভাইরাসকে সক্রিয় করে তা নিয়ে গবেষণা করেছিলেন, যার বৈজ্ঞানিক নাম দেন এসএইচসি-০১৪। এ গবেষণার কারণ জানিয়ে সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক ফ্রান্সিস কলিন্স বলেছিলেন, অণুজীবের মাধ্যমে জৈব নিরাপত্তা এবং সতর্কতামূলক বিষয়গুলোকে আরও সুদৃঢ় করতেই এ ধরনের গবেষণায় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। গবেষণাগারের প্রকৌশলবিদ্যা ব্যবহার করে ভাইরাসটির সংক্রমণ ক্ষমতার বিচিত্র কয়েকটি দিক নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে।

 

 

 

 

নেচার মেডিসিনে সেই গবেষণাপত্র প্রকাশ হওয়ার পরই এ ধরনের গবেষণার মারাত্মক পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন অণুজীব বিশেষজ্ঞ রিচার্ড এডব্রাইট। ২০১৫ সালের নভেম্বরেই দ্য সায়েন্টিস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, এ ধরনের বিপজ্জনক গবেষণার ফলে কোনো কারণে ভাইরাসটি গবেষণাগার থেকে পালিয়ে লোকালয়ে চলে আসতে সক্ষম হলে এটা মানব জাতি এবং অন্য অনেক প্রাণিকুলের জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। কারণ এটা যখন প্রকৃতিতে অন্য কোনো পোষকদেহে নির্জীব অবস্থায় থাকে, তখন তার সক্রিয় হওয়ার ঝুঁকি কম।

 

 

 

 

 

তবে এটি গবেষণাগারে সক্রিয় করার পর একবার যদি মানুষে সংক্রমিত হয়, তাহলে সেটা নির্জীব থাকবে না, প্রাণঘাতী ভয়ংকর অস্ত্রের মতোই আঘাত করবে। তিনি এটাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন, ২০০৩-০৪ সালে সার্স ভাইরাসের মারাত্মক রূপ দেখার পর স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তার বিষয়টি প্রাধান্য দিয়ে এ ধরনের ভাইরাস নিয়ে অপ্রয়োজনীয় বিশেষায়িত গবেষণার জন্য অর্থ বরাদ্দ স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। অতএব এখন এ ধরনের বিপজ্জনক গবেষণা চলতে পারে না। রিচার্ড এডব্রাইটের এই বক্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট এ গবেষণায় অর্থ বরাদ্দ স্থগিত করে।

 

 

 

 

ওলসেন নর্থ ক্যরোলিনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া বিস্তারিত তথ্য-প্রমাণ উল্লেখ করে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার ভয়ংকর বিপজ্জনক গবেষণায় অর্থ বরাদ্দ প্রত্যাহারের পরও ড. রালফ ব্যারিক থেমে থাকেননি। তিনি তার গবেষণার নমুনা নিয়ে চীনের উহানে ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিতে (বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অণুজীব গবেষণাগার) যান। সেখানে তার গবেষণার পরবর্তী অধ্যায়ও চলতে থাকে। সেই গবেষণারই একটি ভয়ংকর পরিণতি এখন বিশ্ব ভোগ করছে বলে নিজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন স্বাস্থ্য খাত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সেরা সাংবাদিক সাদ ওলসোন।

 

 

 

 

এমন পটভূমিতে কূটনৈতিক বাগযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের দুই পরাশক্তি চিন ও আমেরিকা। গত শুক্রবার চিনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ানের টুইটে অভিযোগ করা হয়েছে, ‘মার্কিন সেনারাও উহানে করোনাভাইরাস এনে থাকতে পারে। এ ব্যাপারে মানুষকে সব তথ্য জানানো উচিত।’ ঝাও তাঁর টুইটে জানান, আমেরিকায় প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষ ফ্লু-তে আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ২০ হাজার মানুষের।

 

 

 

 

মার্কিন কংগ্রেসে আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের প্রধান রবার্ট রেডফিল্ড জানিয়েছেন, যে মার্কিন নাগরিকদের ফ্লু-তে মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে সন্দেহ করা হয়েছিল, পরে দেখা গিয়েছে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে। ফলে ঝাওয়ের দাবি, আমেরিকাকেই এ ব্যাপারে জবাবদিহি করতে হবে।

 

 

 

 

 

যদিও শুরু থেকে পশ্চিমা গণমাধ্যম বিশেষ করে আমেরিকার অভিযোগ ছিল, এই ভাইরাস চিনের উহান প্রদেশ থেকেই সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। চিনা বিদেশমন্ত্রক সেই অভিযোগ খন্ডাতে গিয়ে জানায়, মার্কিন সেনারাও করোনাভাইরাস নিয়ে আসতে পারে উহানে। এ ব্যাপারে আমেরিকার জবাবদিহিও চেয়েছে চিনের বিদেশমন্ত্রক। যদিও এ ব্যাপারে আমেরিকার কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।করোনাভাইরাসকে ‘উহান ভাইরাস’ নাম দেওয়ায় চিনা বিদেশমন্ত্রক রীতিমতো ক্ষুব্ধ। মন্ত্রকের তরফে এই নামকরণকে ‘ঘৃণ্য’ ও ‘অপমানজনক’ বলে নিন্দা করা হয়েছে।

 

 

 

 

 

এদিকে উপমহাদেশে করোনা যতটা না মহামারীর উদ্বেগ নিয়ে এসেছে, তার চেয়ে বেশি রাজনীতির অনুসঙ্গ হিসেবে বিদ্যমান। এখানে সরকার কিংবা বিরোধী দুই পক্ষ করোনা নিয়ে জনগণকে সচেতন বা অভয় দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক ফায়দা আদায়ে সচেষ্ট।  বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি বলেন, করোনা প্রতিরোধে সরকারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই।

 

 

 

 

করোনা নিয়ে সারা দেশে সরকারের যথাযথ কাযক্রম নেই। অন্যদিকে করোনাভাইরাস নিয়ে বিএনপি রাজনীতি করা শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। করোনার মতো বিষয়কে মানবিক ও সংবেদনশীর উল্লেখ করে এনিযে নিকৃষ্ট রাজনীতি না করার আহবাণ জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

 

 

 

 

 

অথচ রাজনৈতিক দলগুলো বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ থেকে শুরু করে করোনা সতর্কতায় বহুমুখী উদ্যেগ নিতেই পারতো। সর্বশেষ সরকারী তথ্যমতে, বাংলাদেশে সরকারী ভাষ্যমতে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন ১০। হোম কোয়েরেন্টাইনে আছে ১৮ জেলায় ১৫৬৫ জন। তবে মৃত্যুর কোন ঘটনা এখনো ঘটেনি।

 

 

 

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ কিংবা মধ্যপ্রদেশে করোনাকে উপজীব্য করে রাজনীতির ছায়ায় তাদের নির্বাচন কিংবা সরকার ফেলে দেওয়া বা সেখান থেকে উত্তরণের ঘুটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে করোনা। এমনকি ভারতের শেয়ার বাজারর পতন বা অর্থনৈতিক মন্দাভাবের বড় কারণ হিসেবে টেনে আনা হচ্ছে করোনা। ভারতীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আন্দোলনকে দমাতে করোনা সংক্রমণকে কৌশলে ব্যবহার করতে চাইছে বলে অভিযোগ করছে দেশটির বিরোধী দল কংগ্রেস, তৃণমূলসহ৮ অন্যরা। এনআরসি সিএএ বিরোধী আন্দোলনের অভিমুখ করোনার দিকে নিয়ে আসার চেষ্টাও চলছে বলে অভিযোগ উঠছে।

 

 

 

 

 

শেয়ার বাজার প্রসঙ্গে ভারতীয় বামপন্থী সাংবাদিক বন্ধু এবং বিশ্লেষক শান্তনু দে যখন লেখেন,তাহলে চীনে যখন করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছিল, তখন কেন ফাটকা বাজার মুখ থুবডে পড়ল না?!করোনার উৎস চীনে, অন্য যে কোনও দেশের তুলনায় যেখানে মৃত্যুর সংখ্যা অনেক বেশী— ৩,১৭৯, তখন কেন শেয়ারবাজারে রক্তপাত দেখা গেল না?!

 

 

 

 

অথচ, মার্কিনমুলুকে, যেখানে মৃত্যুর সংখ্যা মাত্র ২৯, ভারতে ১— সেখানে রেকর্ড পতন! করোনাকে বাগে আনতে চীনকে বহু জায়গায় উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছে। তবুও তা বিশ্ব অর্থনৈতিক সঙ্কটের কারণ হয়নি।

 

 

 

 

ওয়াল স্ট্রিট থেকে দালাল স্ট্রিটে ধসের কারণ আসলে পুঁজিবাদের নিজস্ব সঙ্কট।

মার্কিন শিল্প ও কৃষিপণ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাজার হলো চীন। তাছাড়া, চীন এখন কম তেল কিনছে আমেরিকার থেকে। অন্যদিকে রাশিয়া, সৌদি আরবকে ছাপিয়ে আমেরিকা এখন বিশ্বের বৃহত্তম অশোধিত তেলের উৎপাদক। তেল বিক্রি করার কথা ব্যারেল প্রতি ৬৮ ডলারে। অথচ, তেলের দাম পড়েছে ৩০ শতাংশ। ১৯৯১ সালের জানুয়ারির পর থেকে বৃহত্তম পতন।

 

 

 

 

এদিকে করোনা নিয়ে কূটনীতির সুযোগ ছাড়েনি ভারত। ৮টি সার্ক দেশগুলিকে সঙ্গে নিয়েই ‘করোনা কূটনীতির’ ডাক দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মোদীর প্রস্তাব ছিল, নিজ নিজ দেশের নাগরিকদের সুস্থ রাখতে ভিডিয়ো-কনফারেন্সের মাধ্যমে যৌথ আলোচনায় করোনা-মোকাবিলায় একটা শক্তিশালী কৌশল উঠে আসুক।

 

 

 

 

 

১৪ মার্চ মোদী এই টুইট করার পর-পরই তাতে সম্মতি জানিয়েছিল বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, আফগানিস্তান ও মলদ্বীপ। কিছুটা সময় নিয়ে ‘আলোচনায় রাজি’ বলে জানায় পাকিস্তান। রবিবার বিকেল ৫টায় ভিডিয়ো-কনফারেন্স করে ৮টি দেশ। ভারত-পাকিস্তান দীর্ঘ টানাপড়েনের জেরে চার বছর বন্ধও রয়েছে সার্ক সম্মেলন। এই কনফারেন্স সার্ককে পুনরুজ্জীবীত করার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবেও আলোচনায় চলে এসেছে।

 

 

 

 

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বিশ্বজুড়ে ১৩২ টি দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ১,৮৩,৫৬৯ জন। সুস্থ হয়েছে ৭৯,৮৮৩ জন। আর মারা গেছে ৭,১৭১ জন।

 

 

আক্রান্তের দেশওয়ারী তালিকা

# দেশ আক্রান্ত মৃত
১ বাংলাদেশ ১০ ০
২ চীন ৮০,৮৮১ ৩,২২৬
৩ ইতালি ২৭,৯৮০ ২,১৫৮
৪ ইরান ১৪,৯৯১ ৮৫৩
৫ স্পেন ৯,৯৪২ ৩৪২
৬ দক্ষিণ কোরিয়া ৮,৩২০ ৮১
৭ জার্মানি ৭,২৭২ ১৭
৮ ফ্রান্স ৬,৬৩৩ ১৪৮
৯ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA) ৪,৭২৭ ৯৩
১০ সুইজারল্যান্ড ২,৩৫৩ ১৯
১১ যুক্তরাজ্য (ইউকে) ১,৫৪৩ ৫৫
১২ নেদারল্যান্ডস ১,৪১৩ ২৪
১৩ নরওয়ে ১,৩৪৮ ৩
১৪ সুইডেন ১,১২১ ৭
১৫ বেলজিয়াম ১,০৫৮ ১০
১৬ অস্ট্রিয়া ১,০১৮ ৩
১৭ ডেনমার্ক ৯১৪ ৪
১৮ জাপান ৮৩৬ ২৮
১৯ মালয়েশিয়া ৫৬৬ ০
২০ অস্ট্রেলিয়া ৪৫২ ৫
২১ কানাডা ৪৪১ ৪
২২ কাতার ৪৩৯ ০
২৩ গ্রীস ৩৫২ ৪
২৪ পর্তুগাল ৩৩১ ১
২৫ ইসরায়েল ৩০৪ ০
২৬ চেক রিপাবলিক ২৯৩ ০
২৭ ফিনল্যাণ্ড ২৭৮ ০
২৮ ব্রাজিল ২৩৪ ০
২৯ বাহরাইন ২২৮ ১
৩০ সিঙ্গাপুর ২২৬ ০
৩১ আইসল্যান্ড ১৮০ ০
৩২ এস্তোনিয়া ১৭১ ০
৩৩ আয়ারল্যান্ড ১৭০ ২
৩৪ হংকং ১৪৯ ৪
৩৫ ফিলিপাইন ১৪০ ১২
৩৬ রোমানিয়া ১৩৯ ০
৩৭ ভারত ১২৯ ২
৩৮ মিসর ১২৬ ২
৩৯ পোল্যান্ড ১২৫ ৩
৪০ ইরাক ১২৪ ১০
৪১ সৌদি আরব ১১৮ ০
৪২ ইন্দোনেশিয়া ১১৭ ৫
৪৩ থাইল্যান্ড ১১৪ ১
৪৪ কুয়েত ১১২ ০
৪৫ লেবানন ১১০ ৩
৪৬ সান ম্যারিনো ১০৯ ৭
৪৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৯৮ ০
৪৮ পাকিস্তান ৯৪ ০
৪৯ লুক্সেমবার্গ ৭৭ ১
৫০ চিলি ৭৫ ০
৫১ পেরু ৭১ ০
৫২ রাশিয়া ৬৩ ০
৫৩ স্লোভেনিয়া ৬১ ০
৫৪ স্লোভাকিয়া ৬১ ০
৫৫ দক্ষিণ আফ্রিকা ৬১ ০
৫৬ তাইওয়ান ৫৯ ১
৫৭ ভিয়েতনাম ৫৭ ০
৫৮ আর্জেন্টিনা ৫৬ ২
৫৯ আলজেরিয়া ৫৪ ৪
৬০ মেক্সিকো ৫৩ ০
৬১ বুলগেরিয়া ৫১ ২
৬২ ক্রোয়েশিয়া ৪৯ ০
৬৩ কলম্বিয়া ৪৫ ০
৬৪ আলবেনিয়া ৪২ ১
৬৫ ফিলিস্তিন ৩৮ ০
৬৬ ইকুয়েডর ৩৭ ২
৬৭ কোস্টারিকা ৩৫ ০
৬৮ জর্জিয়া ৩৩ ০
৬৯ সাইপ্রাস ৩৩ ০
৭০ হাঙ্গেরি ৩২ ১
৭১ লাটভিয়া ৩০ ০
৭২ বেলারুশ ২৭ ০
৭৩ সেনেগাল ২৪ ০
৭৪ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২৪ ০
৭৫ আজারবাইজান ২৩ ১
৭৬ মলদোভা ২৩ ০
৭৭ ওমান ২২ ০
৭৮ আফগানিস্তান ২১ ০
৭৯ মালটা ২১ ০
৮০ তিউনিশিয়া ২০ ০
৮১ ম্যাসেডোনিয়া ১৯ ০
৮২ তুরস্ক ১৮ ০
৮৩ ভেনেজুয়েলা ১৭ ০
৮৪ লিথুনিয়া ১৪ ০
৮৫ মালদ্বীপ ১৩ ০
৮৬ কম্বোডিয়া ১২ ০
৮৭ জর্ডান ১২ ০
৮৮ ম্যাকাও ১১ ০
৮৯ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১১ ০
৯০ ফারে আইল্যান্ড ১১ ০
৯১ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১১ ০
৯২ নিউজিল্যান্ড ৮ ০
৯৩ প্যারাগুয়ে ৮ ০
৯৪ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৭ ০
৯৫ লিচেনস্টেইন ৭ ০
৯৬ ক্যামেরুন ৪ ০
৯৭ সার্বিয়া ৪ ০
৯৮ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৩ ০
৯৯ গুয়াম ৩ ০
১০০ কেনিয়া ৩ ০
১০১ সিসিলি ৩ ০
১০২ মার্টিনিক ২ ০
১০৩ মরক্কো ২ ০
১০৪ মোনাকো ২ ০
১০৫ নাইজেরিয়া ২ ০
১০৬ সুদান ২ ১
১০৭ আরুবা ২ ০
১০৮ সেন্ট লুসিয়া ২ ০
১০৯ নামিবিয়া ২ ০
১১০ এনডোরা ১ ০
১১১ আর্মেনিয়া ১ ০
১১২ ভুটান ১ ০
১১৩ নেপাল ১ ০
১১৪ শ্রীলংকা ১ ০
১১৫ টোগো ১ ০
১১৬ ইউক্রেন ১ ০
১১৭ ভ্যাটিকান সিটি ১ ০
১১৮ ব্রুনাই ১ ০
১১৯ বুর্কিনা ফাঁসো ১ ০
১২০ ক্রিস্টমাস আইল্যান্ড ১ ০
১২১ জিব্রাল্টার ১ ০
১২২ মঙ্গোলিয়া ১ ০
১২৩ পানামা ১ ০
১২৪ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১ ০
১২৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১ ০
১২৬ গুয়াতেমালা ১ ১
১২৭ সুরিনাম ১ ০
১২৮ মৌরিতানিয়া ১ ০
১২৯ গিনি ১ ০
১৩০ মায়োত্তে ১ ০
১৩১ গ্যাবন ১ ০
১৩২ কেম্যান আইল্যান্ড ১ ০

(তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন [সিএনএইচসি] ও অন্যান্য)

এই বিভাগের আরো খবর :

‘শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আপনাকে স্মরণ করব’
এবার ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছেন খ্রিস্টানরা!
‘আমার মা-এর মতো ছিলেন শ্রীদেবী’
কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
মেয়েদের কাছে আকর্ষণীয় হওয়ার উপায়
দোষী সাব্যস্ত হচ্ছেন রুশ গুপ্তচর মারিয়া
হার্ট নিয়ে ১৮ মিনিটে অ্যাম্বুল্যান্স পাড়ি দিল ১৮ কিমি, বাঁচাল রোগী
'প্রাথমকি শিক্ষা সমাপনীতে এমসিকিউ থাকছে না'
শেরপুরে বজ্রপাতে এক কৃষক নিহত, আহত ২
যেকোনো ভাবেই হোক ব্যাংক-বীমা টিকিয়ে রাখা হবে : অর্থমন্ত্রী
বিএনপির একজন জিল্লুর রহমান ও একজন শেখ হাসিনা দরকার
অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্রসচিব ও তাঁর স্ত্রীকে সম্পদ বিবরণীর নোটিশ
৫ মাসের জন্য নিষিদ্ধ ইউসুফ পাঠান
সাপ কামড়ালে কোন অবস্থাতেই যা করা যাবে না
সৌদির ড্রোন হামলার পর এবার তেল উৎপাদনে বড়সড় ধস