প্রথমবার্তা,নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিমকোর্টসহ দেশের সব আদালতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত এই ছুটি থাকবে। এ বিষয়ে আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবরের স্বাক্ষরে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

 

 

 

 

এ বিষয়ে সুপ্রিমকোর্টের মুখপাত্র ও হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে যেহেতু সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এটা বিবেচনায় নিয়ে প্রধান বিচারপতির নির্দেশে এই ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

 

 

 

 

ছুটির নোটিশে বলা হয়েছে, দেশব্যাপী করোনাভাইরাস রোগ(কোভিড-১৯) এর সংক্রমণ মোকাবেলা এবং এর বিস্তার রোধকল্পে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে আগামী ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্টের উভয় বিভাগ ও সকল অধস্তন আদালতসমুহে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো।

 

 

 

 

 

এর আগে করোনাভাইরাসের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সকল জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, মুখ্য বিচারিক হাকিম ও মহানগর মুখ্য বিচারিক হাকিমদের উদ্দেশ্যে আগামী ৪ এপ্রিল আয়োজিত প্রধান বিচারপতির অভিভাষণ অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে।

 

 

 

 

এ ছাড়াও বিচারক, আইনজীবী ও বিচার বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আদালতে আসা বিচারপ্রার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে সুপ্রিমকোর্ট ও নিম্ন আদালতগুলোতে বিচার কাজ সীমিত করা হয়েছে।

 

 

 

 

গত ২২ মার্চ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সঙ্গে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম পৃথকভাবে সাক্ষাত করেছেন।

 

 

 

 

২৩ মার্চ প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাত করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিন ও সম্পাদক ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন সাক্ষাত করেন।

 

 

 

 

 

 

এ অবস্থায় ২২ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট থেকে নিম্ন আদালতে জামিন ও জরুরি বিষয় ছাড়া মামলার বিচার কাজ মূলতবি রাখার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

 

 

 

 

 

এরও আগে গত ১৯ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতি প্রিজন ভ্যান বা অন্য কোনোভাবে কারাবন্দি আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির না করতে দেশের সকল অধস্তন আদালতের প্রতি নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে আসামিদের কারাগারে রেখেই জামিন শুনানি করার নির্দেশ দেওয়া হয়।