প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৮০ শতাংশের মৃদু উপসর্গ থাকে। তাদের সাধারণত হাসপাতালে না গেলেও চলে। বাকি ২০ শতাংশের হাসপাতালে যেতে হয় প্রধানত শ্বাসকষ্ট নিয়ে, যাদের বড় অংশ সাধারণ অক্সিজেনেই ভালো অনুভব করে।

 

 

 

মাত্র ৫ শতাংশের মতো শ্বাসতন্ত্রের জটিল রোগীকে বাঁচাতে সব দেশেই এখন ভেন্টিলেটর নিয়ে হুড়াহুড়ি পড়ে গেছে। এটা মানুষের প্রাণ বাঁচানোর শেষ অস্ত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। তার মানে এই নয় যে ভেন্টিলেটর ব্যবহার করলেই সব রোগী বেঁচে যাচ্ছে। বরং বলা যায়, এটা শেষ চেষ্টা মাত্র।

 

 

 

আমাদের দেশেও পরিস্থিতি যদি আরো খারাপ হয়ে যায় তখন এমন জটিল পর্যায়ের রোগীদের জন্য কৃত্রিম মাধ্যমে শ্বাস-প্রশ্বাসে সহায়তার দরকার হবে। তবে এর আগে বড় দরকার হচ্ছে আরেক জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম অক্সিজেন ও সংশ্লিষ্ট বিশেষায়িত মাস্ক।

 

 

 

এটা জেলা-উপজেলা পর্যায়েও থাকতে হবে, প্রস্তুত রাখতে হবে। কারণ যারা শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে যাবে তাদের এই সাপোর্ট জরুরি। ভেন্টিলেটরের আগের পর্যায়ে এটা প্রয়োগ করতে পারলে অনেকে সুস্থ হয়ে উঠবে।

 

 

 

 

 

এ ক্ষেত্রে আমাদের এখন দেখতে হবে সব হাসপাতালে অক্সিজেন সেটআপ কেমন আছে। সেগুলো সব ঠিকঠাক সচল আছে কি না। প্রয়োজনে সেগুলো যদি সংস্কার বা জোগান বাড়াতে হয় তা করতে হবে।আশা করছি, সরকার ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে আমরা জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও ভেন্টিলেটরের ব্যবস্থা করতে পারব।