প্রথমবার্তা, প্রতিবেদক: একটি ঘোষণা। সন্মানিত মুসল্লিবৃন্দ। আজ মসজিদে জুমআর নামাজ হবে না। আপনারা বাসায় জোহরের নামাজ পড়ে ফেলবেন। দয়া করে কেউ মসজিদে আসবেন না।

 

 

 

 

মাইকে এ ঘোষণা দিয়েই আল্লাহ আকবর বলে আজান দিতে শুরু করলেন রাজধানীর পুরান ঢাকার একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন। একই সময়ে আশপাশের মসজিদ থেকেও আজান ও জুমার নামাজ মসজিদে হবে না এই মর্মে মাইকে ঘোষণা ভেসে আসতে থাকলো।

 

 

 

 

আজান শেষ হওয়ার আগে থেকেই মসজিদের রাস্তায় বেশ কয়েকজন মুসল্লিকে চ’ক্কর দিতে দেখা যায়। তবে মসজিদে প্রবেশের দুটি পথেই মসজিদের দুজন স্টাফকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তারা আগত মুসল্লিদের সরকারের নির্দেশনা মনে করিয়ে দিয়ে বার বার বাসায় ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছিলেন।

 

 

 

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক মসজিদের ইমাম কা’ন্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, মুসল্লিদের মসজিদে নামাজে না আসার জন্য মাইকে ঘোষণা দিতে হবে এমনটি তিনি কখনও কল্পনাও করেননি।

 

 

 

তিনি বলেন, শুক্রবার জুমার দিনে অন্যান্য দিনের চেয়ে মসজিদে মুসল্লিদের উপচেপড়া ভি’ড় হয়। কিন্তু এখন মসজিদ ফাঁ’কা। গত দুদিন যাবত ওয়াক্তের নামাজেও বাইরের মুসল্লি ছাড়াই ৫ জন নামাজ পড়ছেন।

 

 

 

 

 

করোনা গজবের কারণে আজ সারা বিশ্ব ভী’তসন্ত্র’স্ত এমন মন্তব্য করে সকলকে সরকারি নির্দেশ মেনে ঘরে থাকা এবং আল্লাহর দরবারে দুহাত তুলে মোনাজাত করার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।

 

 

 

 

করোনা ভাইরাস সং’ক্রমণরো’ধে সরকার প্রতি ওয়াক্তের নামাজে ইমাম ও মুয়াজ্জিনসহ ৫ জন ও জুমার দিনে সর্বোচ্চ ১০জনের বেশি নামাজে অংশ নিতে পারবে না বলে নির্দেশনা প্রদানের ফলে মসজিদে মুসল্লিদের আগমন বন্ধ রয়েছে।

 

 

 

 

 

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেন,মসজিদে জনসমাগম হলে সং’ক্রমণ বৃদ্ধির আশ’ঙ্কা’য় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। প্রাণঘা’তী করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বহু দেশই একই পদক্ষেপ নিয়েছে।