প্রথমবার্তা, প্রতিবেদকঃ কোনো ফেসবুক ব্যবহারকারী মারা যাওয়ার পর বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে সেই অ্যাকাউন্ট সাধারণত রিমেম্বারিং করে রাখে ফেসবুক। কিন্তু মাঝে মাঝে জীবিত ব্যক্তির অ্যাকাউন্টকেই মৃত দেখাচ্ছে ফেসবুক।

 

 

শুক্রবার (৮ মে) সকাল থেকেই এ সময়ের জনপ্রিয় ও আলোচিত মডেল মিস বাংলাদেশ জেসিয়া ইসলামের ফেসবুক আইডির পাশে রিমেম্বারিং শব্দটি জ্বলজ্বল করছে। তবে ১০ ঘণ্টা আগেও তিনি ফেসবুকে সক্রিয় ছিলেন। জেসিয়া জীবিত নাকি মৃত সে ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এর আগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের আইডিও হটাত করে রিমেম্বারিং হয়ে গিয়েছিল।

 

 

জীবিত মানুষকে ফেসবুক কীভাবে মৃত দেখাতে পারে? এই বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফেসবুকে লিগ্যাসি কন্ট্রাক্ট নামের একটি অপশন রয়েছে। সেখানে ব্যবহারকারী তার কাছের কাউকে অ্যাকাউন্টের লিগ্যাসি কন্ট্রাক্টর বানিয়ে রাখতে পারেন। ওই ব্যক্তি মারা গেলে তার অ্যাকাউন্ট বন্ধ কিংবা রিমেম্বারিং করে রাখার জন্য ওই লিগ্যাসি কন্ট্রাক্টর যোগাযোগ করতে পারেন।

 

 

ওই ব্যক্তির যোগাযোগের পর ফেসবুক ওই অ্যাকাউন্টটি রিমেম্বারিং করে রাখে কিংবা বন্ধ করে দেয়। এক্ষেত্রে জীবিত ব্যক্তির লিগ্যাসি কন্ট্রাক্টর যদি জানান, ওই ব্যক্তি মারা গেছেন তবে ফেসবুক সেটা রিমেম্বারিং করে দিতে পারেন।

 

 

বিভিন্ন হ্যাংকিং গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, ফেইসবুক নিরাপত্তার কারণে বর্তমানে ফেসবুক আইডি হ্যাকিং করা কষ্টকর। সেক্ষেত্রে হ্যাকাররা আইডি ডিসেবল করতে না পেরে রিমেম্বারিং করে রাখছে। ফেসবুক কোনো সার্টিফিকেট সাবমিট করার পর সেটি ভেরিফাই না করে গ্রহণ করে।

 

 

ফলে ডেথ সার্টিফিকেট দিয়ে রিমেম্বারিং করা আর ন্যাশনাল আইডি দিয়ে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা খুবই সহজ। আর বর্তমানে বিভিন্ন অ্যাপ বা সফটওয়্যার দিয়ে ভুয়া ন্যাশনাল আইডি কার্ড বানানো সময়ের ব্যাপার মাত্র!