প্রথমবার্তা, প্রতিবেদকঃ  ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে উপকূলীয় দ্বীপজেলা ভোলায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। তবে ভোলা সদর ও চরফ্যাশনে অন্তত ৩০টি কাঁচা ঘর বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

 

কয়েক স্থানে বেড়িবাঁধ বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া সাগর মোহনার কুকরীর চর, পাতিলা ও ঢাল চর ৪/৫ ফুট পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে পুকুর ও মাছের ঘের। ক্ষতি হয়েছে ফসলের।

 

বুধবার গাছ চাপা পড়ে ও ট্রলার ডুবিতে নিহত দুই পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে ২০ হাজার টাকা করে ৪০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। ভোলা জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বোরহানউদ্দিন উপজেলা হাকিম উদ্দিন এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ বিধ্বস্ত হয়েছে।

 

এছাড়া ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান মাহামদ জানান, মনপুরা উপজেলায় ফয়েজ উদ্দিন, দক্ষিণ সাকুচিয়া, সূর্যমুখি এলাকা, উত্তর সাকুচিয়া মাস্টারের হাট এলাকা, রামনেওয়া এলাকায় ও তজুমদ্দিন উপজেলার বেড়িবাঁধ জোয়ারের পানির তোড়ে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

খবর পেয়ে ভোলা-৩ আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এবং ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল স্ব-স্ব এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ এলাকা পরিদর্শন করেন।