প্রথমবার্তা, প্রতিবেদকঃ  ‘তুমি আকাশের বুকে  বিশালতার উপমা, তুমি আকার চোখে সরলতার প্রতিমা’ কিংবা ‘যদি হিমালয় হয়ে’ তুমুল মানসম্মত সুপারহিট গানের শিল্পী খালিদ। যিনি চাইম ব্যান্ডের খালিদ হিসেবেও পরিচিত।

 

গত বছরের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে খালিদের সাথে একটি সেলফি তুলে পোস্ট করেছেন নোবেল, যেখানে তিনি ক্যাপশন হিসেবে লিখেছেন ‘নিউ ইয়র্কের শো দেখতে এসেছিলেন প্রিয় খালিদ ভাই’ আদতে নোবেলের শো দেখতে যাননি খালিদ, সেখানে গিয়েছিলেন নিজের পেমেন্ট আনতে।

 

সে সময় খালিদকে দেখে নোবেল দৌঁড়ে এসে সেলফি নেন। এমনটাই দাবি করেছেন খালিদের স্ত্রী শামীমা জামান।নোবেলের ফেসবুক পোস্টের এমন ‘স্ট্যান্টবাজি’র প্রতিবাদ করেছেন শামীমা। তিনি নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘বোস্টন-এর শো এর পেমেন্ট নিতে ওখানে যেতে হয়েছিলো বাছা তুমি এগিয়ে এসে ছবি তুলে এসব মিছে কথা লিখেছো কেন হে? তোমার মতো বেয়াদব এর গান শুনতে গেলে আমি তাকে বাসায় ঢুকতে দেবোনা।

 

নিজেকে কি ভাবো? গত দশ বছরে নতুন অন্তত ১৮ টি গানে কণ্ঠ দিয়েছে। প্রিন্স মাহমুদ এর ‘ঘুমাও ‘এর পরে। ওসব তোমার জানা লাগবেনা তুমি তেনা পেচিয়ে ঘুমাও বাবু।’

 

গত ১০ বছরে বাংলাদেশের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে কোনো সৃষ্টিশীল গান হয়নি দাবি করে নিজের দুটি গানের কথা পোস্ট করেন নোবেল নিজের ফেসবুক পেইজে। যেখানে তিনি ভারতের জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্তদের সঙ্গে মাত্র দুই বছরে দুটি গান করে ফেললেন, অথচ ১০ বছরে বাংলাদেশের সঙ্গীতভূবনে কোনো গানই সৃষ্টি হয়নি দাবি করেন।

নোবেলের কথা স্ববিরোধী তার প্রমাণও শামীমা জামানের পোস্টেও পাওয়া যায়। যেই নোবেল বিগত ১০ বছরের এদেশের সঙ্গীতভূবনকে অস্বীকার করছেন সেই ১০ বছরেই খালিদের জনপ্রিয় গান ‘ঘুমাও তুমি’ প্রকাশ পায় এবং ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

নোবেল ওই পোস্টে বলেন, দু-বছর আগে জন্ম নিয়েছি আপনাদের ভালবাসা নিয়ে। দু-বছরে ফ্লপ/হিট গানের সংখ্যা দুই।  তোমার মনের ভেতর – অনুপম রায় (National Award winner),  আগুনপাখি – শান্তনু মৈত্র (National Award winner) তোমাদের লেজেন্ড গত দশ বছর ধরে কয়টা ফ্লপ অথবা হিট রিলিজ করেছে কমেন্টস্ সেকশানে জানাও।

থুক্কু বাংলাদেশে তো গত ১০ বছরে ভালো করে কেউ মিউজিকই করেনি। দাঁড়াও তোমার লেজেন্ডদের না হয় আমিই শিখাবো, কিভাবে ২০২০ সালে মিউজিক করতে হয়।’