প্রথমবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :  বয়ঃসন্ধির পর অধিকাংশ বাবা-মায়ের কাছেই ছেলে-মেয়েরা কিছুটা রহস্যময় হয়ে ওঠে। কারণ ১২-১৩ বছর পার হওয়ার পরই ছেলে-মেয়েদের মধ্যে একটা স্বাধীনচেতা মনোভাব তৈরি হয়। আর এতেই ঘটে বিপত্তি।

এইসময় যেহেতু বোধশক্তি পূর্ণতা পায় না তাই বাবা-মায়ের অনেকটা সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

 

 

 

কী কী সমস্যা হয়?

এই সময় বিভিন্ন হরমোনের পরিবর্তনের ফলে শরীরে দ্রুত শারীরিক বৃদ্ধি ও বিকাশ ঘটে।
স্বাধীনচেতা মনোভাব
পূর্ণবয়স্ক সুলভ ব্যক্তিত্ব

 

 

 

সামাজিক ও আর্থিক নির্ভরতা থেকে আপেক্ষিক স্ব-নির্ভরতায় রূপান্তর
অন্য লিঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট
যৌন কার্যকলাপের পরীক্ষা-নিরীক্ষা

 

 

 

 

বাবা-মায়েদের যা করতে হবে

১২-১৩ বছর বয়সে যেহেতু বোধশক্তি পূর্ণতা পায় না তাই বাবা-মায়ের অনেকটা সতর্ক থাকা প্রয়োজন। মনে রাখতে হবে ওরা বড় হলেও অপরিনত। এইসময় বাবা-মায়ের ভূমিকা হওয়া উচিত বন্ধু বা উপদেষ্টার মতো। একই সঙ্গে ওদের আচরণ নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে হবে।

 

 

 

 

বাবা-মায়েরা অতিরিক্ত রক্ষণশীল মনোভাব দেখালে ছেলে-মেয়েরা তাদের থেকে অনেক কিছু আড়াল করে। এমনকি কখনও কখনও বাবা-মায়েদের শক্র মনে করে তারা। এর ফলে সন্তানদের সঙ্গে বাবা-মায়ের দূরত্ব তৈরী হয়। অতিরিক্ত শাসন ওদের মানসিক বৃদ্ধিতে বাধা হতে পারে।

সন্তানদের কাছে বাবা-মায়ের প্রত্যাশা থাকবে এটা স্বাভাবিক কিন্তু দেখবেন সেই প্রত্যাশার একটা সীমারেখা থাকা দরকার।প্রাকৃতিকভাবে এই পরিবর্তন সমস্ত মানুষের ক্ষেত্রে ঘটে। তাই বয়ঃসন্ধির সময় ওদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

 

 

 

 

সত্যিকারের বন্ধুকে টিনএজাররা এই সময়টা আঁকড়ে ধরতে চায়। সুতরাং বাবা-মা যদি হন সেই বন্ধু, তাহলে ক্ষতি কি? তা বলে কি শাসন থাকবে না? নিশ্চয়ই থাকবে। তবে মনে রাখবেন শাসনটা যেন বাড়াবাড়ি রকম কিছু না হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওদের ম্যাচিওরিটি বাড়লে ভালো-মন্দ ওরা সহজেই বুঝতে পারবে ।